সুনামগঞ্জ , শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬ , ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে অন্য কোনও ঘটনার তুলনা হয় না : মির্জা ফখরুল শিশুর হাতে স্মার্টফোন : আশীর্বাদ না অভিশাপ? হাওরের জন্য ৫০ হাজার কোটি টাকার বিশেষ বরাদ্দের দাবি টাঙ্গুয়ার হাওরে উজাড় হচ্ছে হিজল-করচ বাগ সাম্রাজ্যবাদী ও দেশবিরোধী সব চুক্তি বাতিলের দাবি “সমন্বয়কদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েন হান্নান মাসউদ” গুপ্ত ছিলাম, বাইরে যাইনি, ভবিষ্যতেও পালাবো না : জামায়াত আমির প্রাথমিক শিক্ষা পদক ২০২৬ জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ হলেন যাঁরা বিদ্যুতের দাম বাড়লো দুই বছরে নিঃস্ব হয়ে ফিরেছেন ২১৫ জন তিন মাসে খেলাপি ঋণ বেড়েছে ৩১৪৮৭ কোটি টাকা মা-বাবার পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত তোফায়েল আহমেদ গণমাধ্যম, পুলিশ ও প্রবাসীদের উদ্যোগে অসহায় সাজু মিয়ার মুখে হাসি হাওরপাড়ে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস যাত্রী ওঠানো নিয়ে সংঘর্ষে আহত ১২, সিএনজিচালিত অটোরিকশা ভাঙচুর ১০টি পৌরসভার পানি সরবরাহ লাইনে ত্রুটি, দুর্ভোগে ৬ শতাধিক গ্রাহক স্থানীয় সরকার নির্বাচন : আগস্টের শেষে তফসিল, অক্টোবরে ভোটের চিন্তা হাওরে কৃষকের নিরানন্দ ঈদ তোফায়েল আহমেদ আর নেই আমার রাজনীতির মূল লক্ষ্য জনগণের কল্যাণ নিশ্চিত করা : এমপি কামরুল

আ.লীগের অপরাধীদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত

  • আপলোড সময় : ২৬-০৯-২০২৫ ০৯:২৬:১৪ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২৬-০৯-২০২৫ ০৯:২৬:১৪ পূর্বাহ্ন
আ.লীগের অপরাধীদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত
সুনামকণ্ঠ ডেস্ক :: আওয়ামী লীগের অপরাধমূলক কর্মকান্ডে জড়িত নেতা-কর্মীদের সন্ত্রাসবিরোধী আইনের আওতায় আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাসংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির ১৩তম সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এ ছাড়া দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বেশ কিছু সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির ওই বৈঠকে। বৈঠকের সিদ্ধান্তে বলা হয়, ‘মুজিববাদী সন্ত্রাসী কার্যক্রম’ যেকোনো মূল্যে বন্ধ করতে হবে এবং এদের সন্ত্রাসবিরোধী আইনের আওতায় আনতে হবে। প্রকৃত অপরাধীদের দ্রুত চিহ্নিত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনার ব্যবস্থা করতে হবে। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও দুর্গাপূজায় আওয়ামী সন্ত্রাসীরা নাশকতা চালাতে পারে বলে গত রোববার অনুষ্ঠিত আইনশৃঙ্খলা-সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদের ১৪তম সভায় উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। অপরাধীরা গ্রেপ্তারের পর যাতে সহজে জামিনে ছাড়া না পায়, সে বিষয়েও পদক্ষেপের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সভায় জানানো হয়- রিকশাশ্রমিক, চাকরিচ্যুত বিডিআর ও আনসার সদস্য, পল্লি বিদ্যুতের কর্মীদের আন্দোলন, কৃষি ডিপ্লোমা শিক্ষার্থী, পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থী, নার্স, আয়ুর্বেদিক ডাক্তার, ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার বনাম বিএসসি ইঞ্জিনিয়ার, ধর্মীয় সংখ্যালঘু, চা-শ্রমিক এবং বেক্সিমকোসহ পোশাকশ্রমিকদের চলমান আন্দোলন দ্রুত ও শান্তিপূর্ণভাবে নিরসনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। জনদুর্ভোগ এড়াতে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ রাখতে অনুমোদন ছাড়া রাস্তাঘাট বা জনসাধারণের চলাচলের পথে সভা-সমাবেশ আয়োজন করা যাবে না। এ বিষয়ে ইতিপূর্বে দেওয়া নির্দেশনাসমূহ কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে নির্দেশনা দেওয়া হয়। বেআইনি সমাবেশ নিয়ন্ত্রণে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোকে জাতিসংঘ কর্তৃক স্বীকৃত পাঁচটি ধাপ অনুসরণ করতে বলা হয়। সেগুলো হলো- বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অন্য সংশ্লিষ্টদের সব ধরনের আন্দোলন শান্তিপূর্ণভাবে সমাধানের জন্য ব্যবস্থা নিতে হবে। ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট ব্যবহার করে কোনো ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি বা অপরাধী যেন দেশ ত্যাগ করতে না পারে, সে বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে হবে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন ও অপরাধমূলক কর্মকা- রোধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতা জোরদার এবং গোয়েন্দা নজরদারি বাড়াতে হবে। এছাড়া, অভিযান পরিচালনার সময় নিরপরাধ ব্যক্তি যেন কোনোভাবে হয়রানির শিকার না হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে। কেবল প্রকৃত অপরাধীদের বিরুদ্ধেই ব্যবস্থা নিতে হবে। এই অভিযানের সুযোগ নিয়ে কেউ যেন চাঁদাবাজি বা অন্য কোনো অনৈতিক কর্মকা-ে লিপ্ত হতে না পারে, সে বিষয়েও কঠোর নজরদারি করতে হবে। সভার সিদ্ধান্তে আরও বলা হয়, প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন ও বাংলাদেশ সচিবালয় এলাকার সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। এ জন্য সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর টহল জোরদার, প্রবেশ নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা শক্তিশালীকরণ এবং গোয়েন্দা নজরদারি বাড়াতে হবে। সংখ্যালঘু ধর্মীয় সম্প্রদায়ের উৎসবসহ অন্যান্য অনুষ্ঠানকে স্বাচ্ছন্দ্যপূর্ণ ও সুষ্ঠুভাবে স¤পন্ন করার জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সর্বোচ্চ সতর্কতা ও তৎপরতা অবলম্বন করতে হবে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য পরিচয়ে ডাকাতি, ছিনতাই চক্রের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা দায়েরসহ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। দেশের প্রধান প্রধান মহাসড়কে (ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক ও ঢাকা-যমুনা সেতু মহাসড়ক) সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় আনার বিষয়ে বলা হয়। জনদুর্ভোগ এড়াতে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে কোনোরূপ অনুমতি ছাড়াই রাস্তা বা জনসাধারণের চলাচলের পথে সভা-সমাবেশ আয়োজন করা যাবে না। এ বিষয়ে ইতিপূর্বে দেওয়া নির্দেশনাসমূহ কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করতে সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে নির্দেশনা প্রদান করতে হবে। সহিংসতা সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে দল, মত, ধর্ম বা বর্ণ নির্বিশেষে দ্রুত ও যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য পরিচয়ে ডাকাতি, ছিনতাই চক্রের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা দায়েরসহ আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে। ঢাকা মহানগরী এলাকায় যানজট নিরসন ও দুর্ঘটনা রোধে প্রয়োজনীয় উদ্বুদ্ধকরণ কার্যক্রম গ্রহণ করতে হবে। সার্বিক বিষয়ে জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে রুটিন দায়িত্ব পালনকারী অতিরিক্ত সচিব (রাজনৈতিক ও আইসিটি) খন্দকার মাহাবুবুর রহমান বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আপ্রাণ চেষ্টা চালানো হচ্ছে। আমরা মুজিববাদী বুঝি না। একটি নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের পক্ষে যেকোনো ধরনের অপরাধমূলক কর্মকা-ে জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হবে। -আজকের পত্রিকা

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স